কিডনি গায়েব: দুই বছরেও চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়নি

52

উচ্চ আদালতের নির্দেশের পরও বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে কিডনি কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে দুই বছরেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বিএসএমএমইউ-তে তথ্য সংগ্রহে গিয়ে এমন কথা বলেছেন মানবাধিকার কমিশনের তদন্ত দল। তবে বিএসএমএমইউ পরিচালক ব্রি. জে. জুলফিকার আহমেদ আমিনের দাবি, ঘটনা তদন্ত করে দেখছেন তারা।

বৃদ্ধা রওশন আরার একটি কিডনিতে পাথর পাওয়ায় তা অপসারণে অস্ত্রোপচার হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তবে রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় ছেলে রফিক শিকদার অভিযোগ করেন, তার মায়ের ভালো কিডনিও কেটে ফেলা হয়েছে। এক পর্যায়ে মারা যান তার মা। এনিয়ে হত্যা মামলা করতে চাইলেও তা নেয়া হচ্ছিল না।
মায়ের মৃত্যু প্রায় দুই বছর গত ২৭ নভেম্বর মামলা নেয়া হয়। তদন্তে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দুই সদস্য আসেন বিএসএমএমইউতে। দীর্ঘ সময় নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন তারা। এসময় গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে চান, দীর্ঘ সময় পেরুলেও অভিযুক্ত চিকিৎসকরা কিভাবে অফিস করছেন। যদিও এই প্রশ্নের কোন সদুত্তর দেননি হাসপাতালটির পরিচালক ব্রি. জে. জুলফিকার আহমেদ।
তদন্তকারি দলের প্রধান আল মাহমুদ ফয়জুল কবির জানান জানান, কিডনি দুটি জোড়া লাগানো বলে চিকিৎসকরা যে দাবি করেছেন, তার কোনও প্রমাণ মেলেনি।
পুলিশ বলছে, মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। আসামিদের আটকের চেষ্টার কথাও বলছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here