নীল রঙে সুখ খুঁজি!

215

নচেৎ কিয়ৎপরিমাণ কষ্ট পেতাম, সহে নিতাম।
আমি তো নগ্নদেহে নজদ বনের পাহারাদারি, বারোবচ্ছর বড়শি বেয়ে চলার লোক নই গো।
বিষদন্ত হয়ে অসহনীয় গাত্রজ্বালা আমৃত্যু বয়ে বেড়াতাম।
কচুরিপানায় নীল-কষ্ট বলি দিতাম, ক্যানো কূলছাড়া পাথারের সাঁতারু হবো!
মিছেমিছি শুকনো মুখাবয়বে তোমার ছলচাতুরী ভীষণ ঘেন্না লাগে।
ফুফ্ফীর কাছে তোমার আদ্যোপান্ত জেনে জীবনে দ্বিতীয়বারের মতো আশ্চর্যান্বিত হলাম।
প্রথমবার তো তোমার অসুপ্তোত্থিত শ্বাপদসঙ্কুল ব্যক্তিত্বের কামুকী নিবেদনে আশ্চর্যে বিভোর হয়েছিলাম।
তৃতীয়বারের প্রতীক্ষায় আমি বাংলার আলপথ বেয়ে তুমিহীন নাফের ভাসন্ত ডিঙি-নৌকোয় সুখের আশ্রয়প্রার্থী।
ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ে তোমার জমানো অনুভূতিগুলোকে খিড়কি দিয়ে জলাঞ্জলি দিয়েছি।
কিঞ্চিৎ কষ্টবোধ হয়নি, এখন দেহের প্রতিটি কোষ তোমার বিষাক্ত স্পর্শহীনে বেশ সক্রিয় থাকে।
বড্ড আরামে আছি, প্রত্যহ শুকতারার সাথে আমার সখ্য ঈর্ষনীয়!
প্রত্যাশা করি তোমার স্বার্থান্বেষী প্রেতাত্মা যেনো নির্মল প্রকৃতির উপর আর ভর না করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here