হ্নীলায় অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁড়ির দাবি এলাকাবাসীর!

14

সাইফুদ্দিন আল মোবারক, টেকনাফ:

টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) এলাকায় অপরাধ প্রবণতা ব্যাপক বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সেখানে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

বিশেষ করে হ্নীলা ইউপির লেদা, আলীখালী, মুছনী, নয়াপাড়া, আলী আকবর মেম্বারের রাস্তার মাথা, নেচারপার্ক এলাকাসহ আশপাশের এলাকাগুলো একেবারে রোহিঙ্গা ঘেষা হওয়ায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের আনাগোনা বেড়েছে। এসব এলাকায় প্রতিনিয়ত অস্ত্রের ঝনঝনানি শোনা যায় বলে জানান এলাকাবাসী।

অনেক সময় ডাকাত ও রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকাবাসী পাহারায় থেকে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। না ঘুমিয়ে রাত কাটাচ্ছে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের অনেক জনসাধারণ। বিভিন্ন সময় এসব জায়গায় ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

অটোরিকশা, মোটর সাইকেল, প্রাইভেটকার, বাসের চালকসহ যাত্রীরা ডাকাতির কবলে পড়ে সর্বত্র হারিয়েছে এমন অসংখ্য নজির রয়েছে। সন্ধ্যা হলেই এসব এলাকাতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে চলাচল করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন গাড়ি চালক এ প্রতিবেদককে জানান, তারা গাড়ি নিয়ে যাওয়ার সময় অনেকবার ডাকাত দলের কবলে পড়েছে। ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে তাদেরকে জিম্মি করে টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোনসহ অনেক মালামাল কেড়ে নেয়। সব দেয়ার পরেও অস্ত্রধারী ডাকাতরা তাদের মারধর করে গুরুতর আহত করে ছেড়ে দেয় বলেও জানান তারা।

গত ১৯ জুন মোহাম্মদ নুর নামে এক লোককে গুলি করে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে সন্ত্রাসীরা।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক মাহমুদ রনি বলেন, অপরাধ দমনে হ্নীলাতে একটি পুলিশ ফাঁড়ি খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রতিবেদককে জানান, টেকনাফ উপজেলার মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নে অতিরিক্ত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। তিনি নিজেও আতঙ্কে চলাচল করছে বলে জানান।

থানা একটু দূরে হওয়াতে সন্ত্রাসীরা অপরাধ করতে সাহস বেশি পাচ্ছে এবং পুলিশ আসতে আসতে অস্ত্রধারীরা যেকোনো অপরাধ করে পালিয়ে যেতেও সক্ষম হয়। সন্ত্রাসীদের দমনে হ্নীলাতে পুলিশ ফাঁড়ির বিকল্প নেই বলেও জানান তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here